Sunday, October 27, 2019

ভাটি বাংলার ঐতিহ্যবাহী কুস্তিখেলা কে কেন্দ্র করে হামলা, আহত ৫জন কুস্তিগীর

ভাটি বাংলার ঐতিহ্যবাহী কুস্তিখেলা কে কেন্দ্র করে হামলা, আহত ৫জন কুস্তিগীর


ভাটি বাংলার ঐতিহ্যবাহী কুস্তিখেলা কে কেন্দ্র করে হামলা, আহত ৫জন কুস্তিগীর।

জামালগঞ্জ উপজেলার তেলিয়া শাহপুর বনাম সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং গ্রামের মধ্যে তাদের মাঠে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সুনামগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ কুস্তিগীর শামসুজ্জামান আবুর সাথে গৌরারং এর কুস্তিগীর ইকবাল পরাস্ত হয় এবং ইকবালের পাল্টা কুস্তিতে আসা কুস্তিগীরের সাথে আবুর সাথে স্বল্প সময় খেলে সমান দেয়ায় তেলিয়া শাহপুর দল মাঠ ছেড়ে চলে আসে। এবং পথিমধ্যে গৌরারং গ্রামের কুস্তিগীর ইকবাল, কবির, মনির, আজাদ এবং তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা তেলিয়া শাহপুর গ্রামের কুস্তিগীরদের অতর্কিত হামলা করে এতে আহত হয় সামসুজ্জামান আবু, সেলিম, বদিউজ্জামান, বোরহান ও শাহিন। আহতদের জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা চলছে। গুরুতর আহত অবস্থায় সেলিম কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

Friday, September 20, 2019

আওয়ামী চুর ধরা খাইছে-- Voice Of Sunamganj

আওয়ামী চুর ধরা খাইছে-- Voice Of Sunamganj



ঢাকা: যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে আটক করেছে র‌্যাব। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ রয়েছে। এসময় তার কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, মাদক, নগদ অর্থ ও ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর চেক উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
php glass

রাজধানীর গুলশান নিকেতন ৫ নম্বর সড়কের ১৪৪ নম্বর ভবনে শামীমের কার্যালয় ঘিরে অভিযান চালায় র‌্যাব। 
কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ লাইসেন্সবিহীন অস্ত্র, মাদক, নগদ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ও ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর চেক উদ্ধার করা হয়।
নিজের টাকার সামনে দাঁড়িয়ে শামীম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীশামীমের মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিকেবি অ্যান্ড কোম্পানির কর্মচারী দিদারুল আলম জানান, সকালে নিকেতনের ৫ নম্বর সড়কের ১১৩ নম্বর ভবন শামীমের বাসায় কয়েকজন সাদা পোশাকে প্রবেশ করেন। সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা অবস্থানের পর শামীমকে সঙ্গে নিয়ে তার প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় ১৪৪ নম্বর ভবনে অভিযান শুরু করে র‌্যাব।
বর্তমানে কার্যালয়ের ভেতরে শামীমসহ র‌্যাব সদস্যরা অবস্থান করছেন।
জানা যায়, শামীমের পাশাপাশি তার ছয় দেহরক্ষীকেও আটক করা হয়েছে।
মেননকে গ্রেফতার করলে সকল পতিতালয় ও মদ,জুয়ার আমদানীর তথ্য বেরিয়ে আসবে

মেননকে গ্রেফতার করলে সকল পতিতালয় ও মদ,জুয়ার আমদানীর তথ্য বেরিয়ে আসবে





মেননকে গ্রেফতার করলে সকল পতিতালয় ও মদ,জুয়ার আমদানীর তথ্য বেরিয়ে আসবে।
.
‘ইয়ংমেনস ক্লাব’ ক্যাসিনোর চেয়ারম্যান রাশেদ খান মেনন! জুয়া, মদ ও পতিতা ব্যবসায়ী সমাজতন্ত্রী নেতার মুখোশ খুলে গেল। এরা সরকার দলের সুবিদা নিয়ে যত অপকর্ম সব করে যাচ্ছে, মেননকে গ্রেপ্তার করলে আরো বহু তথ্য বেরিয়ে আসবে।

Sunday, September 15, 2019

শমসের আলী স্যার আর নেই

শমসের আলী স্যার আর নেই


আমার শিক্ষা জীবনের প্রথম ওস্তাদ। আমি ক্লাস টু তে উঠেই পড়াশোনার ইতি টানি। আমার পরিবারের সবাই অনেক চেষ্টা করার পরেও আর স্কুলে যাইনি। সেই সময় স্যার আমাদের স্কুলে আসেন। আমি তখন স্কুল ছেড়ে শয়তানি আর খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকি। স্যার যখন রাস্তা দিয়ে স্কুলে যান তখনও আমি খেলি। একদিন স্যার আমাকে থাবা দিয়ে ধরে বলেন স্কুলে চল। আমি বললাম আমি স্কুলে যাইনা। তারপরেও স্যার জুড় করে নিয়ে গেলেন। তারপর আমার বাবা আর ভাইকে বুঝিয়ে আবার স্কুলে নিলেন। স্যারের চেষ্টায় আমি প্রথম সাময়িক পরীক্ষা তে বই ছাড়া পড়েই প্রথম হই। এর পর আমার ভিতরে পড়াশোনার ভুত ঢুকে যায়। তারপর ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত আমার রোল এক নাম্বার। শেষে পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষায় টেলেন্টপুলে সেরা পাঁচ মেধা তালিকায় স্থান পাই। আমার জীবনের সেরা শিক্ষক তিনি। 
আজ হঠাৎ ফেইসবুকে এক বড় ভাই পোষ্ট করেন স্যার আর নাই 😭 দেখার পর নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিনা। নিজের মনকে ও বুঝাতে পারছিনা। সবাই কে মৃত্যুর সাধ গ্রহণ করতে হবে। আমি স্যারের বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেনো স্যার কে জান্নাতের সর্বোত্তম মাকাম দান করেন। এবং স্যারের শোকাহত পরিবারের প্রত্যেক সদস্য কে আল্লাহ ধৈর্যশীল হওয়ার তৌফিক দান করুন। 
-----------------------------------আমিন---
Source: Jamalganj24

Thursday, February 15, 2018

ভীমখালী ইউনিয়নের মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যা, মামলায় স্বামী জেলে.

ভীমখালী ইউনিয়নের মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যা, মামলায় স্বামী জেলে.




স্টাফ রিপোর্টার: ছাতক পৌর শহরে ঘরের মধ্যে স্ত্রীর শরীরে আগুন দিয়ে তাকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় স্বামীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সুনামগঞ্জের আমলগ্রহণকারী ছাতক আদালতের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শহীদুল আমিন সোমবার আবুল মনসুর লিটন (৩৩) নামের ওই ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ছাতক পৌর শহরের দক্ষিণ বাগবাড়ি এলাকায় আবুল মনসুরের নিজ বাড়িতে গত বছরের ৬ মে দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। আবুল মনসুর জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার হিম্মতেরগাঁও গ্রামের আব্দুন নূরের ছেলে। তার স্ত্রীর নাম ইসফা বেগম (২৫)। ঘটনার পর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ইসফা বেগমের বড় ভাই রাসেল আহমদ। মামলায় আবুল মনসুর ও তার বড় ভাই আব্দুস সহিদ বাপনকে আসামি করা হয়।
মামলার বাদী    রাসেল আহমদ জানান, তাদের বাড়ি জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালি ইউনিয়নের বিছনা গ্রামে। আবুল মনসুরের পরিবার এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী। এ কারণে ঘটনার পর প্রায় এক মাস থানায় চেষ্টা করলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালতের নির্দেশে থানায় মামলাটি নথিভূক্ত করে পুলিশ।
মামলার এজহারে তিনি উল্লেখ করেন, আবুল মনসুরের সঙ্গে ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে বিয়ে হয় তার বোন ইসফা বেগমের। তাদের দেড় বছর বয়সী এক মেয়ে আছে। বিয়ের পর থেকে ইসফার প্রতি কুদৃষ্টি ছিল আবুল মনসুরের বড় ভাই আব্দুস সহিদ বাপনের (৪০)। বিষয়টি ইসফা তাদের একাধিকবার জানিয়েছেন। পরে তারা বিষয়টি আবুল মনসুরকেও জানান। কিন্তু আবুল মনসুর তাদের কথা অবিশ্বাস করে উল্টো ইসফার সঙ্গে বিরূপ আচরণ করতে থাকেন। ঘটনার দিন সকালে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই ভাই আবুল মনসুর ও আব্দুস সহিদ মিলে ইসফাকে মারধর করেন। এর জের ধরে রাত সাড়ে ১২টায় আবার দুইভাই মিলে ইসফার শরীরে অ্যাসিড ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।
ঘটনার পর রাত সোয়া একটার দিকে আব্দুস সহিদ রাসেল আহমদকে ফোন করে জানান, তার বোন আগুনে দগ্ধ হয়েছেন। তারা সঙ্গে সঙ্গে ছাতকের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পরে আবার জানানো হয় ইসফাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। তারা ওসমানীতে গিয়ে ইসফা বেগমকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পান। তার পুরো মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে ঝলসানো ছিল। ওসমানীতে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চিকিৎসকেরা তাকে দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর ইসফাকে নিয়ে ঢাকায় রওনা হন তারা। পথে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায় যাওয়ার পর ইসফা মারা যান। এরপর লাশ নিয়ে তারা ছাতক থানায় আসেন। ময়নাতদন্ত শেষে ৮মে বিছনা গ্রামে নিয়ে ইসফাকে দাফন করেন তারা। রাসেল আহমদ মামলার এজহারে আরও বলেছেন, ঐ পরিবারের লোকজনের সন্দেহজনক আচরণ ও আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে ইসফাকে নির্মমভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হন তিনি।
রাসেল আহমদ বলেন, ‘পুলিশ আদালতের আদেশে মামলা নিলেও শুরু থেকেই তদন্তে গাফিলতি করে। পরে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) প্রেরণ করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক আশরাফুজ্জামান বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন আছে। আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা পলাতক থাকায় গ্রেপ্তার করা যায়নি। একজন আজ (গতকাল) আদালতে আত্মসমর্পন করেছে বলে জেনেছি। অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
সুনামগঞ্জ আদালতের এপিপি নুরে আলম সিদ্দিকী উজ্জ্বল বলেন, ‘সোমবার আবুল মনসুর আদালতে হাজির হয়ে জামিনের প্রার্থনা করেন। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন।

Saturday, December 16, 2017

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া



মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। শনিবার বেলা ১১টা ১০মিনিটে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে তিনি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

Friday, December 15, 2017

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাণী

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাণী


তারিখ : ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাণী
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আমি প্রবাসী বাংলাদেসীসহ দেশবাসী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তাঁদের অব্যাহত সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করি। আজকের এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেসব অকুতোভয় বীর শহীদদের কথা, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন স্বদেশভূমি পেয়েছি। আমি স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। পরাধীনতার হাত থেকে দেশের বিজয় অর্জনে যেসব মা-বোন সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন- আমি জানাই তাদের সশ্রদ্ধ সালাম।
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ডাকে শুরু হওয়া স্বাধীনতাযুদ্ধ ওই বছর ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে দেশের অকুতোভয় বীর মুক্তি যোদ্ধারা বিজয়ী হয়। তাই ১৬ ডিসেম্বর আমদের গর্বিত এবং মহিমান্বিত বিজয় দিবস। এদেশের দামাল ছেলেরা হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ছিনিয়ে এনেছিলো স্বাধীনতার সূর্য। আজকের এ মহান দিনে আমি সেসব অকুতোভয় বীর সেনাদের সশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই।
শোষণ-বঞ্চনামুক্ত একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়েই ১৯৭১-এ এদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলো। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে আমাদের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়েছে, জনগণের মৌলিক ও মানবিক অধিকার খর্ব হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই এদেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধার করেছে।
১৯৭১-এ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি শত্রুমুক্ত হলেও চক্রান্তকারীদেরচক্রান্ত আজো বিদ্যমান। আধিপত্যবাদী শক্তি আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে গ্রাস করে আমাদেরকে একটি পদানত জাতিতে পরিণত করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত। ওই অপশক্তির এদেশীয় দোসররা নানাবিধ চক্রান্তজাল রচনা করে আমাদের বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা বিপন্ন করে চলেছে।
৫ জানুয়ারী ২০১৪-তে প্রহসনের একতরফা নির্বাচন করে জনমতকে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে। এদেশে এখন মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা নেই। এদেশের মানুষ এখন অধিকার হারা। এদেশে শ্বাশ্বত গণতন্ত্র নিরুদ্দেশ করা হয়েছে। গণতন্ত্রহীন দেশে নিরঙ্কুশ ক্ষমতার দাপটে সর্বত্র হতাশা, ভয় আর নৈরাজ্যের অন্ধকার নেমে এসেছে। ক্ষমতা জবরদখলকারীরা জনগণের ওপর নৃশংস আক্রমণ চালিয়ে হত্যা করছে। বর্তমান পরিস্থিতি যেন ভয়ংকর নৈরাজ্যময়। এই অশুভ শক্তির নীলনকশা বাস্তবায়নে রক্তপাতের ওপরই নির্ভর করা হচ্ছে। ওদের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে বিপদমুক্ত করতে স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনায় বলীয়ান হয়ে আমাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। মহান বিজয় দিবসে আমি দেশবাসী সকলের প্রতি সেই আহবান জানাই।
আল্লাহ্ হাফেজ, বাংলাদশ জিন্দাবাদ।”
(এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী)
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।

Sunday, November 5, 2017

সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে পাঠদান ব্যাহত

সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে পাঠদান ব্যাহত



বিশেষ প্রতিনিধি-মনির আমান:
অবকাঠামোগত সংকট, শিক্ষক শূন্যতা এবং কোন কোন শিক্ষকের অদায়িত্বশীলতার কারণে সুনামগঞ্জের উচ্চ শিক্ষার প্রধানতম বিদ্যাপীঠে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। একাদশ থেকে মাস্টার্স শ্রেণির পাঠদানের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার ৮০০। অধ্যক্ষ থেকে সহকারী গ্রন্থাগারিক পর্যন্ত ৬১ টি পদ থাকলেও আছেন ৩৮ জন। এরমধ্যে ৮ জনেরও অধিক শিক্ষক রয়েছেন যারা শতকরা কমপক্ষে ২৫ ভাগ ক্লাসে অনুপস্থিত থাকেন।
১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠিত সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে ১০ বছর আগে অনার্স চালু হয়। বর্তমানে ১০ টি বিষয়ে অনার্স এবং ৪ টি বিষয়ে মাস্টার্স চালু রয়েছে। কলেজে শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজন ২৬ টি। শ্রেণিকক্ষ আছে ১৪ টি। এই অবস্থায় এক শ্রেণির ৪ টি’র বেশি ক্লাস হয় না শিক্ষার্থীদের। কলেজে একদিকে শিক্ষক সংকট, অন্যদিকে গড়ে ৮ জনেরও বেশি শিক্ষক প্রায়ই পাঠদানে অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে।
কলেজের ¯œাতক ২য় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী বললো, ‘কলেজ অধ্যক্ষই অনিয়মিত, এ কারণে অন্য শিক্ষকরা সুযোগ নেন।’ এমন মন্তব্য একাধিক শিক্ষার্থীর।
কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ভুবনজয় আচার্য্য ২৩ অক্টোবর কলেজে যোগদান করে যাওয়ার পর শনিবারই প্রথম কলেজে এসেছেন। ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. নূর-এ আলমকে ক্লাসে দেখা যায় কালে-ভদ্রে। এই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলামেরও একই অবস্থা। দর্শন বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু তালেব, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রশীদ খান, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শফিকুর রহমান, উদ্ভিদ বিদ্যার সহযোগী অধ্যাপক গোলাম আহমদ খান, প্রভাষক সুবীর পাল, প্রাণী বিদ্যার সহযোগী অধ্যাপক জেসমিন চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবীরের ক্ষেত্রে একই ধরনের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।       
অভিযোগের বিষয়ে ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. নূর-এ-আলম বললেন,‘আমি ক্লাসে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি সত্য নয়।’ এই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম বলেন,‘আমি ক্লাসে অনুপস্থিত থাকি না। আমার বাড়ি রাজশাহীতে, বাড়ি গেলে যাওয়া-আসায় পথে চার দিন লাগে।’ দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন,‘আমার চেয়ে বেশি ক্লাস কেউ নেয় না।’ গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রশীদ খানও পাঠদানে অনুপস্থিত নেই দাবি করে বলেন,‘বাড়ি যাওয়া-আসায় তাঁর কিছুটা সমস্যা হয়।’ এই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শফিকুর রহমান বলেন,‘আমি নিয়মিত ক্লাস নেই। ডিপার্টমেন্ট প্রধান কম আসেন।’ উদ্ভিদ বিদ্যার সহযোগী অধ্যাপক গোলাম আহমদ খান দাবি করলেন, মাস খানেক হয় যোগদান করেছেন। ক্লাস ফাঁকি দিতে অভ্যস্ত নন তিনি। এই বিভাগের প্রভাষক সুবীর পাল দাবি করলেন, তিনি নিয়মিত থাকেন। বিভাগীয় প্রধান সপ্তাহে ৩-৪ দিন থাকেন। প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জেসমিন চৌধুরী নতুন এসেছেন জানিয়ে বললেন,‘ক্লাস কম হয় না। আমি নতুন এসেছি, আগে ডিপার্টমেন্টে একজন ছিলেন।’ এই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবীর বললেন,‘ছুটিতে গেলে কেউ না কেউ ক্লাস নেন। থাকলে ক্লাস ঠিকই হয়।’
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুস ছত্তার বলেন,‘সীমাহীন সংকট বিরাজ করছে কলেজে। অবকাঠামো সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। শ্রেণিকক্ষ প্রয়োজন ২৬ টি, আছে ১৪ টি। এ কারণে ক্লাস করা যাচ্ছে না। এমনিতেই শিক্ষক সংকট। এরমধ্যেই পদার্থ, রসায়ন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও দর্শনের ৪ শিক্ষককে শহরের মহিলা কলেজেও ক্লাস নেবার জন্য উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এটি আরও সমস্যা বাড়িয়েছে। ৮ জন খ-কালীন শিক্ষক নিয়ে কোনভাবে পাঠদান অব্যাহত রাখা হচ্ছে। ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ২৩ তারিখ যোগদান করেছিলেন, তিনি আজ (শনিবার) প্রথম এসেছেন। নূর-এ আলম শনিবার আসেন না। কামরুল ইসলাম বাড়িতে গেলে কয়েকদিন থেকে আসেন। আবু তাহের বাড়ি নির্মাণের জন্য দেড় মাস অনিয়মিত ছিলেন। আব্দুর রশীদের বাড়ি কুমিল্লায়, তিনি অনিয়মিত। শফিকুর রহমানও অনিয়মিত। গোলাম আহমদ খান সিলেট থেকে একদিন পরে পরে আসেন। সুবীর পাল টানা থাকেন না। জেসমিন চৌধুরী হবিগঞ্জ থেকে যাওয়া-আসার মধ্যেই পাঠদান করেন। এই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হুমায়ুন কবীরও নিয়মিত নয়।’
নিজের অনুপস্থিত প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ আব্দুছ ছত্তার বলেন,‘আমি অফিসের উপরেই থাকি। আমি অফিসিয়েল এবং ব্যক্তিগত খুব জরুরি কাজ ছাড়া অনুপস্থিত থেকেছি এটি ছাত্র-শিক্ষক কেউই বোধ হয় বলবেন না।’

Thursday, November 2, 2017

ফেসবুক ইভেন্ট: তাসকিনের বিয়ে মানি না!

ফেসবুক ইভেন্ট: তাসকিনের বিয়ে মানি না!


আলী রেজা:
তাসকিন আহমেদ। যাকে বলা হয় টাইগার গতিদানব। তবে আগের সেই ফর্ম গত কয়েকটি সিরিজে মেলে ধরতে পারেননি সুদর্শন এই পেসার। তাতে কি, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষিদের সুদৃষ্টি থেকে এক চুলও সরে যাননি তিনি। আর তা না হলে কেন তার বিয়ের খবরে শুভাকাঙ্ক্ষীদের চোখে জল আসবে?
বিয়ে করলে তারকাদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে থাকেন ভক্ত, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। কিন্তু তাসকিনের প্রতি টিনএজার বা কিশোরীদের এতই ভালোবাসা যে, টাইগার এই গাতিদানবের বিয়েটা স্বাভাবিকভাবে নিতে পাচ্ছেন না তারা। তাই কেউবা আড়ালে, আবার কেউবা প্রকাশ্যে কান্নাকাটি করছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে দেশে ফিরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তাসকিন আহমেদ। বিয়ের পর জীবনের নতুন সময়টাকেও দারুণ উপভোগ করছেন টাইগার এই তারকা পেসার। কিন্তু মানতে পারছেন তার অগণিত ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এখনও অনেকে নিজের হতাশার কথা ব্যক্ত করছেন।
শুধু তাই নয়, এরই মধ্যে ”তাসকিনের বিয়ে মানি না” বলে ফেসবুকে একটি ইভেন্টও খোলা হয়ে গেছে! তবে, আশার কথা হলো বিয়ের খবর পাওয়ার পর ভক্তরা যেমন আফসোস করছেন, তেমনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জুড়ে শুভকামনাও জানাচ্ছেন প্রিয় খেলোয়াড়কে।
ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের কাছে সারাদেশে সাধারণ ছাত্ররা জিম্মি হয়ে পড়েছে

ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের কাছে সারাদেশে সাধারণ ছাত্ররা জিম্মি হয়ে পড়েছে



বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেছেন, একের পর এক নজিরবিহীন অপকর্মের ঘৃন্য উদাহরণ সৃষ্টি করে চলেছে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা। এখন পর্যন্ত এসব সন্ত্রাসের দৃষ্টান্তমূলক কোন বিচার হয়নি। উল্টো অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদেরকে প্রশ্রয় দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে। ফলে ক্যাম্পাস গুলোতে তীব্র অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এখন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের কাছে সারাদেশে সাধারণ ছাত্ররা জিম্মি হয়ে পড়েছে।

তিনি আজ কুমিল্লার এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির কুমিল্লা অঞ্চলের সদস্য প্রার্থী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় কলেজ সম্পাদক মারুফুল ইসলামের পরিচালনায় এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি শাহাদাত হোসেনসহ মহানগর ও জেলা নেতৃবৃন্দ।

শিবির সভাপতি বলেন, দেশজুড়ে খুন, হত্যা, টেন্ডারবাজি, ভর্তি-বাণিজ্য আর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ণে এখন এক ত্রাসের নাম ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের নজিরবিহীন সন্ত্রাস ও তান্ডবলীলায় ক্যাম্পাসগুলো সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে টেন্ডারবাজি,প্রশ্নপ্রত্র ফাঁস, শিক্ষক লাঞ্চনা মাদক, ইভটিজিং, অস্ত্রবাজি, সন্ত্রাস ও অপকর্মের চারণ ভূমিতে পরিণত করেছে। সরকারের মদদপুষ্ট ও পুলিশের বলয়ে থাকা এই গুটি কয়েক ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে রেখেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বেপরোয়া ছাত্রলীগ পুলিশ ও প্রশাসনের অনৈতিক সহযোগিতায় ক্যাম্পাসে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতে ভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের খুন, হামলা, নির্যাতন করে যাচ্ছে। যখন তখন হামলা করছে নিরপরাধ ছাত্রদের উপর। বহু ছাত্রনেতা ও সাধারণ ছাত্রকে নির্যাতন করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা। নির্বিচারে লুটপাট করছে ছাত্রদের ল্যাপটপ, কম্পিউটার, নগদ অর্থসহ মূল্যবান জিনিসপত্র। সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবির নেতা আরিফুল ইসলামকে নির্মম নির্যাতন করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা। এর আগেও রাবি’তে ১৩জন নিরপরাধ ছাত্রকে রাতভর নির্যাতন করে পুলিশে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও কুমিল্লা ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন ছাত্রদেরকে বর্বর কায়দায় নির্যাতন চালানো হয়েছে। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিজেদের দায়িত্ব কর্তব্যকে জলাঞ্জলি দিয়ে ছাত্রলীগের ইচ্ছামতই সাধারণ ছাত্রদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। যা ক্যাম্পাস গুলোকে ভীতির উপত্যকায় পরিণত করেছে।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগ ছাত্রদের অধিকার আদায়ের পরিবর্তে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের ঘৃন্য হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। তারা ঐতিহ্যবাহী সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাস পুড়িয়ে দিয়ে উল্লাস করেছিল। মারধর ও অপদস্ত করেছে অনেক সম্মানিত শিক্ষকদে। দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ গুলোতে আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়া ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় বার বার বন্ধ হয়েছে। এদের তত্ত্ববধানেই বার বার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় ছাত্রলীগের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় নেতারা পর্যন্ত জড়িত, যা গণমাধ্যমের কল্যাণে দেশবাসী বহুবার দেখেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এসব অপকর্মের কোন বিচার হয়নি। সরকার, পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতি অব্যাহত মদদ ও সহযোগিতায় প্রমাণ হয় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য মূল দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ছাত্রলীগকে।

তিনি আরো বলেন, ছাত্রলীগের সন্ত্রাস ও মদদ দাতাদের সব কর্মকান্ডই ছাত্রজনতা দেখছে। ছাত্রসমাজ কোন ভাবেই এই অপতৎপরতা মেনে নেবে না। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ক্যাম্পাসে প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিরাপত্তায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁসে ডিজিটাল জালিয়াতিতে জড়িত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ক্যাম্পাসে সবার সহবস্থান ও শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

শিবির সভাপতি বলেন, ছাত্রশিবির বরাবরই সাধারন ছাত্রদরে অধিকাার আদায়ে সোচ্চার। ভ্যাট বিরোধী আন্দোলন, বেতন বৃদ্ধি, বিভিন্ন ফি বৃদ্ধি সহ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে শিবির সব সময় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। আগামী দিনেও সাধারণ ছাত্রদের যেকোনো অধিকার আদায়ে ছাত্রশিবির সাধারণ ছাত্রদের সাথে নিয়ে ভূমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ

Wednesday, November 1, 2017

বিয়ে নিয়ে যা বললেন তাসকিন

বিয়ে নিয়ে যা বললেন তাসকিন


Jamalganj24:
জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ তাজিম। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষ করে এসেই অনেকটা তড়িঘরি বিয়ের পিঁড়িতে বসে পড়লেন। বিয়ে হয়েছে রাজধানীর লালমাটিয়ার একটি রেস্টুরেন্টে। নতুন জীবনের সময়গুলো দারুণ উপভোগ করলেও বিয়ের খবরটা আগে না জানাতে পারায় ভক্তদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন, সময় করে সবাইকে জানিয়ে একটি বড় অনুষ্ঠান করবেন।
বুধবার ব্যস্ততার ফাঁকেই মুঠোফোনে বিডি মনিংকে তাসকিন বলেন, জীবনের নতুন সময়টাকেও দারুণ উপভোগ করছি ‘বিয়ের পর আত্মীয়-বন্ধুদের বাসায় যাচ্ছি,। “ঘরোয়াভাবে বিয়ের অনুষ্ঠান করায় অনেককে জানাতে পারিনি। সেজন্য আমি দুঃখিত আশাকরি সময় করে সবাইকে জানিয়ে একটি বড় অনুষ্ঠান করব।”
জানা গেছে, তাসকিনের স্ত্রী  সৈয়দা রাবেয়া নাঈমা আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এআইইউবি) অর্থনীতি বিভাগে স্নাতক শ্রেনীর শিক্ষার্থী। তাসকিনও পড়ছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ে। নাঈমার সঙ্গে দশম শ্রেণীতে পড়ার সময় মন দেয়া-নেয়ার পর্ব শেষ হয়। এরপর একসাথে কাটিয়েছেন  দীর্ঘ সাত বছর। পাশাপাশি এলাকায় থাকা, একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা সবকিছুই চলছিল সবার আড়ালে। বিষয়টি দুই পরিবারে মধ্যে জানাজানি পর গতবছর পারিবারিকভাবে তাসকিন ও নাঈমার আংটি বদল হয়। এরপর থেকেই বিয়ের প্রস্তুতির জন্য তৈরি হচ্ছে ছিলেন দু’পরিবার।
তবে হুট করেই যে বিয়েটা হয়ে যাবে তা নিজেও বুঝে উঠতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন ২২ বছর বয়সী এ পেসার বলেন, “খেলায় আরও ফোকাস বাড়ানোর জন্য, জীবনটাকে সুন্দর করে গুছিয়ে নেয়ার জন্য বিয়েটা করে ফেলেছি। আর সবচেয়ে বড় কথা আল্লাহর হুকুম হয়েছে সেজন্যই হয়ে গেছে। দেশবাসীকে বলবো আমাদের জন্য দোয়া করবেন। এবং আগের মতো যেন খেলার মাঠে ফিরে আসতে পারি সেজন্যও দোয়া করবেন।”
বিয়েতে সতীর্থদের দাওয়াত করেছিলেন তাসকিন। কিন্তু দেশে ফিরেই বিপিএলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অনেকেই। তাই তাসকিনের বিয়ের অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি জাতীয় দলে তাসকিনের সতীর্থরা। তবে ছিলেন ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তুজা ও তার পরিবার। তাসকিনের সঙ্গে বরাবরই খুব ভালো সম্পর্ক মাশরাফির।
হাওরপাড়ের মানুষের কষ্ট- উঠোনে বিদ্যুৎ থাকলেও ৬৫০ টাকার জন্য ঘরে নেই বিদ্যুৎ

হাওরপাড়ের মানুষের কষ্ট- উঠোনে বিদ্যুৎ থাকলেও ৬৫০ টাকার জন্য ঘরে নেই বিদ্যুৎ




রোহান, জামালগঞ্জ:
সরকারি খরচে বাড়ির সামনে গেছে বিদ্যুতের খোঁটা, কিন্তু জামানতের মাত্র ৬৫০ টাকার ব্যবস্থা করতে না পারায় সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের প্রত্যন্ত হাওরপাড়ের প্রান্তিক কৃষকদের অনেক পরিবারই বিদ্যুৎ নিতে পারছেন না। বিগত ফসল মৌসুমে হাওরডুবে সর্বশান্ত মানুষগুলোর কাছে বাড়ির সামনের বিদ্যুতের খোঁটাগুলোও এখন আনন্দের বদলে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
পাগনার হাওরপাড়ের ফেনারবাঁক ইউনিয়নের উজান লালপুর গ্রামের নাজমা আক্তার বললেন,‘পেটে ভাত নাই, ঘরে একবেলা খাওনের চাল নেই। প্রতিবেশির কাছেও সাহায্যের জন্য হাত বাড়ানোর উপায় নেই। সকলেরই এক অবস্থা। এই অবস্থায় বিদ্যুতের খোঁটা দেখা ছাড়া করার কিছু নেই, এটি আমাদের জন্য আরেক কষ্ট, সরকার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়ন করেছেন, কিন্তু আমরা সামান্য টাকারও ব্যবস্থা করতে পারছি না।’
কেবল নাজমা আক্তার নয়, উজান লালপুর ও শরিফপুরের প্রায় ৩৬৬ পরিবারই এমন কষ্ট সহ্য করছেন। তাঁদের বাড়ির উঠোনে বিদ্যুতের খোঁটা কিন্তু ঘরে বিদ্যুৎ নেই।
উজান লালপুর গ্রামের সাজেদা বেগম, আফরোজা বেগম, সুরেশা বেগম, কুলফিয়া বেগম, ফুলেমা বেগম জানালেন গ্রামের ২৬০টি পরিবারের তারা ৬০-৭০ টি পরিবার রয়েছেন, যাদের এবার একবেলা খাওয়ার ব্যবস্থা হলে, আরেক বেলা নিয়ে চিন্তায়    
থাকতে হয়। এই অবস্থায় ৬৫০ টাকার ব্যবস্থা হচ্ছে না তাঁদের। যারা গরু বিক্রি বা জমি বন্ধক রেখে টাকা এনেছেন, তাদের কেউ কেউ বিদ্যুৎ ঘরে নিয়েছেন। ১০০ পরিবার এখনও বিদ্যুৎ নিতে পারেনি। 
শরীফপুর গ্রামেরও একই অবস্থা। গ্রামের মোট পরিবারের সংখ্যা ৩৩৬ টি এরমধ্যে ১৭০ টি পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন। বাকী ১৬৬ টি পরিবার এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে পারছেন না। 
গ্রামের ফরিদ মিয়া ভিক্ষা বৃত্তি করে সংসার চালান, কিতাব আলীর একই অবস্থা। কিন্তু বাড়ির সামনে বিদ্যুতের খোঁটা দেখে তাঁরা খুশি। বললেন,‘৬৫০ টাকারও ব্যবস্থা হবে না, বিদ্যুৎ নিতেও পারবো না।’ 
ফেনারবাঁক ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন বলেন,‘আমার ওয়ার্ডে অনেক পরিবার আছেন হতদরিদ্র,তারা জামানতসহ অন্যান্য খরচ মেটাতে না পারায় বিদ্যুৎতের সংযোগ নিতে পারছেন না।’ 
উজান লালপুর গ্রামের ইউপি সদস্য শুক্কুর আলী বলেন,‘আমার গ্রামে ২৬০টি পরিবারের মধ্যে ২০০ পরিবার এখনো টাকা জমা দিতে পারেননি।’ 
সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎতের জেনারেল ম্যানেজার সোহেল পারভেজ বলেন, ‘প্রতিটি গ্রাহককেই ৬৫০ টাকা করে জমা দিতে হয়, এই টাকাটা গ্রাহকের হিসাবেই থাকবে, যখন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে চাইবেন, তখনই টাকা ফেরৎ পাবেন গ্রাহক।’   
স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন,‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। এখন যারা একেবারেই হতদরিদ্র তাদের বিষয়টি আমি ব্যক্তিগতভাবে দেখবো।’
জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের স্থান নিয়ে সদস্যদের আপত্তি

জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের স্থান নিয়ে সদস্যদের আপত্তি




জামালগঞ্জ প্রতিনিধি:  Jamalganj24
জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের নতুন ভবন নির্মাণের স্থান নির্ধারন নিয়ে পরিষদের ইউপি সদস্য ও সদস্যারা লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আপত্তি দেন তারা। 
আপত্তিকারীরা হলেন জামালগঞ্জ সদরের ইউপি সদস্য আশেক নূর, শহিদুল ইসলাম সোহেল, আনোয়ার হোসেন, মোছা: গোলছেরা বেগম ও হাবিবুর রহমান।
আপত্তিকারীদের দাবি জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়্রাম্যান শামসুল আলম ঝুনু মিয়া ও তার ছেলে সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাজ্জাদ মাহমুদ তালুকদার ইউনিয়নের কাউকে না জানিয়ে উপজেলা সদর 
 থেকে সরিয়ে লক্ষীপুরে ইউনিয়ন ভবনের স্থান নির্ধারণ করেছেন।  
আপত্তিতে ইউপি সদস্যগণ উল্লেখ করেন, আমরা জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্যগণ জানতে পারলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা ভূমি অফিসারসহ অন্যান্য কর্মচারীগণ ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের কোন এক স্থান সরেজমিন পরির্দশন করেছেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকার জনসাধারণসহ আমরা ইউনিয়ন পরিষদের কোন জনপ্রতিনিধিগণ এ বিষয়ে অবগত নই। 
আপত্তির বিষয়ে জামালগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাজ্জাদ মাহমুদ তালুকদার বলেন,‘বছর দুয়েক আগেই আমার পিতা উপজেলা চেয়ারম্যান নতুন ভবনের জন্য আমাদের গ্রাম লক্ষীপুরে জায়গা রেজিষ্ট্রি করে দিয়েছেন। তখন আমার ছোট চাচা ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন।’ 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান বলেন,‘জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের নতুন ভবনের বিষয়ে একটি আপত্তি পেয়েছি। যদি ইউপি সদস্য সদস্যগণ ও জনগণ না জেনে থাকেন তাহলে অবশ্যই গণশুনানীর ব্যবস্থা করা হবে।’